ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB

ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB

ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক শ্রদ্ধ্যেয় ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী স্যার “ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB” বইটি সম্পূর্ণ পড়ে নিম্নক্ত উক্তি দিয়েছেন –

“ম্যাটল্যাব ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য এক জরুরি হাতিয়ার। খুব জটিল আবার রুটিনধর্মী গণনার জন্য ম্যাটল্যাব ব্যবহার করা হয়। ফলে আধুনিক প্রকৌশল বিদ্যায় বিবিধ বাস্তব পরিস্থিতি যাচাই করে দেখার জন্য কিংবা জটিল সমীকরণ সিস্টেম গণনার জন্য ম্যাটল্যাবের অপরিহার্যতা অনস্বীকার্য। কাজেই আধুনিক প্রকৌশলী কিংবা ফলিত গবেষকরা ম্যাটল্যাবের গভীরতর ব্যবহার জানবে না, তা হয় না। এইজন্য প্রকৌশল শিক্ষার বুনিয়াদি কোর্স হিসেবে ম্যাটল্যাব শেখানো হয়। কিংবা প্রাতিষ্ঠানিকভাবে না শেখালেও আধুনিক শিক্ষার্থীরা এটা নিজেরাই শিখে নেয়। ম্যাটল্যাব শিক্ষার এই কাজটি আরিফুজ্জামানের এই বইটি খুব চমৎকারভাবেই সমাধা করেছে। সহজেই ম্যাটল্যাব সম্পর্কে একটা ভাল সাধারণ চটজলদি জ্ঞান পাওয়া যায় এই বইটি পড়লে।
আশা করব, বইটি ফলিত বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের ছাত্রছাত্রীরা পড়ে দেখবেন এবং গবেষণার কাজে এগিয়ে থাকবেন।”

ড. ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী
সহযোগী অধ্যাপক, তড়িৎ এবং ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট)

“ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে একুশে বই মেলা ২০১৬ এ অন্বেষা প্রকাশ থেকে।

লেখক-
বিজ্ঞানের যে কোন শাখায় বিএসসি অথবা ইঞ্জিনিয়ারিং পড়া থেকে শুরু করে উচ্চতর পড়াশোনা, গবেষণায় ব্যাপক ভাবে ব্যবহৃত একটি সফটওয়্যার ম্যাটল্যাব। ম্যাটল্যাব একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, যেখানে গণনা, প্রোগ্রাম করা, সিমুলেশোন, ভিজুয়ালাইজেশনের মতো নানান কাজ খুব সহজে করা যায়। পদার্থ বিজ্ঞান, গনিত, রসায়ন, জীববিজ্ঞানসহ যে কোন ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয় যেমন, তড়িৎ কৌশল, কেমি কৌশল, যন্ত্র কৌশল, পুর কৌশল সহ আরো অনেক বিষয়ে অধ্যয়নের জন্য ম্যাটল্যাব শিক্ষা অনেকটা বাঞ্চনীয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমি যখন ম্যাটল্যাবে কোড করি, আমার কাছে মনে হয়েছে খুব সহ্য একটি বই থাকলে অনেক সহজেই শিখতে পারা যেতো। সেই চিন্তা থেকেই বইটি লেখা। যেহেতু ম্যাটল্যাবের বিষয় বস্তু সমূহ অনেক বড় পরিসরে ব্যাপ্ত, তাই বইটিতে সকল টপিক এমন ভাবে সাজানো হয়েছে, যাতে বইটি পড়ার পর ম্যাটল্যাব সম্পর্কে সু্স্পষ্ট ধারণা পাওয়া যায় এবং যে কোন কোড সহজে অনুধাবন করা যায়।

মো. আরিফুজ্জামান ফয়সাল
তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক কৌশল বিভাগ (চতুর্থ বর্ষ)
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট)
ইমেইল- stranglefaisal@gmail.com
ওয়েবসাইট – www.faisal.icchecode.com

“ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে একুশে বই মেলা ২০১৬ এ অন্বেষা প্রকাশ থেকে।

সূচি
প্রথম অধ্যায়
ম্যাটল্যাব পরিচিতি
দ্বিতীয় অধ্যায়
চলক
তৃতীয় অধ্যায়
বিল্ট ইন ফাংশন
চতুর্থ অধ্যায়
ইনপুট ও আউটপুট
পঞ্চম অধ্যায়
গ্রাফ আঁকা
ষষ্ঠ অধ্যায়
অপারেটর
সপ্তম অধ্যায়
if এবং switch
অষ্টম অধ্যায়
লুপ
নবম অধ্যায়
ফাংশন
দশম অধ্যায়
সিমুলিংক
পরিশিষ্ট

Matlab Porichiti-Arifuzzaman Faisal
ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB

“ম্যাটল্যাব পরিচিতি :: Introduction to MATLAB” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে একুশে বই মেলা ২০১৬ এ অন্বেষা প্রকাশ থেকে।

Techkriti’15 IIT Kanpur Champion BUET

 Techkriti’15 IIT Kanpur Champion BUET

এশিয়ার অন্যতম বৃহত্তম Technological & Entrepreneurial festival, Techkriti, আর এবার ভারতের IIT Kanpur এ আয়োজিত, Techkriti’15 এ অবিস্মরণীয় সাফল্য বুয়েটিয়ানদের!!

Three teams topped Robotics event in Techkriti'15, IIT Kanpur.
Three teams topped Robotics event in Techkriti’15, IIT Kanpur

International Arial Robotics Compitition (IARC) ক্যাটাগরি তে :
চ্যাম্পিয়ন : Buet Fireflies
রানার্স আপ : Buet Ac-Dc

buet_Shopnopuron_03
Buet Fireflies
BUET Fireflies - এর রোবট
BUET Fireflies – এর রোবট
BUET AC~DC
BUET AC~DC
BUET AC~DC - এর রোবট
BUET AC~DC – এর রোবট

Shuffle ক্যাটাগরি তে :
চ্যাম্পিয়ন : Buet Exponential

এবারের মত সাফল্য  বিরল। অনেক বেশি অভিনন্দন সকল বিজয়ী টীমকে।

IEEE Signal Processing Cup 2015 – এ সারা বিশ্বের মধ্যে বুয়েট প্রথম

IEEE Signal Processing Cup 2015 – এ সারা বিশ্বের মধ্যে বুয়েট প্রথম

IEEE Signal Processing Cup 2015 – এ সারা বিশ্বের মধ্যে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর তড়িৎ কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীরা প্রথম স্থান অর্জন করেছে।

The IEEE SP Cup এমন একটি প্রতিযোগিতা যেখানে বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা একত্রে এমন কিছু টেকনিক্যাল সমস্যা সমাধান করে যাতে আমাদের বাস্তব পৃথিবীর অনেক জটিল সমস্যার খুব সহজ সমাধান বের হয়ে আসে। আর এই সকল সমস্যা গুলো শিক্ষার্থীদের সিগন্যাল প্রসেসিং টেকনিক এর মাধ্যমে করতে হয়। সবশেষে তিনটি টীমকে বাছাই করা হয় সারা পৃথিবী্র বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের টিম থেকে। আর এবার প্রথম হিসেবে বাছাই করা হয় বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর তড়িৎ কৌশল বিভাগের শিক্ষার্থীদের একটি টীমকে। তাছাড়া IEEE Signal Processing Cup 2015 – এ পঞ্চম টীমটিও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর শিক্ষার্থী।

IEEE SP Cup 2015 -এ চ্যাম্পিয়ন টীম এর সদস্যরা হলেন-

Anik Khan
Sayeed Chowdhury
Rakib Hyder
Zahid Hasan
Md. Samzid Bin Hafiz

টীম এর সুপারভাইজর ছিলেন –

Dr. Mohammad Ariful Haque
Associate Professor,
Department of EEE, BUET

বিঃদ্রঃ IEEE Signal Processing Cup 2014 – তেও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এর তড়িৎ কৌশল ভিবাগের শিক্ষার্থীরা প্রথম স্থান অর্জন করে।

IEEE Signal Processing Cup 2015 – এ সারা বিশ্বের মধ্যে বুয়েট প্রথম।

প্রতিযোগিতার ফলাফলের লিঙ্কঃ-
http://icassp2015.org/signal-processing-cup-2015/

বাংলা ভাষায় প্রোগ্রামিং বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং – আরিফুজ্জামান ফয়সাল”

সি প্রোগ্রামিং

সি প্রোগ্রামিং – বই

সি প্রোগ্রামিং – টিউটোরিয়াল

বাংলা ভাষায় প্রোগ্রামিং বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং – আরিফুজ্জামান ফয়সাল”

সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং
সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং

এই রকম অনেক ডায়াগ্রাম এর মাধ্যমে সহজে প্রতিটি টপিক এর ব্যাখ্যা দেয়া হয়েছে “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” বইটিতে।

“সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” বইটি প্রকাশিত হচ্ছে আগামী বই মেলায় Annesha Prokashon – অন্বেষা প্রকাশন থেকে । ইচ্ছে কোড থেকে প্রকাশিত প্রথম বই। প্রোগ্রামিং কে আরো সহজ করে তোলার জন্য বইটি লেখা। বইটি লিখেছেন Arifuzzaman Faisal

বই টিতে পাবেন প্রতিটি কোডের বাংলা ব্যাখ্যা এবং পাঠ্যবই এর অনেক সমস্যা প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে কিভাবে সমাধান করতে হয় তাও দেখানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রোগ্রামিং কিভাবে ভবিষ্যত কর্মক্ষেত্রে সহায়তা করবে তা বর্ননা করা হয়েছে বইটিতে।

“সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং”

সূচীপত্র
শূন্য অধ্যায়ঃ কম্পিউটার প্রোগ্রামিং(পরিগণন) ও এর গুরত্ব
প্রথম অধ্যায়ঃ কম্পাইলার ইন্সটল করা (compiler install)
দ্বিতীয় অধ্যায়ঃ সি প্রোগ্রাম (C Program)
তৃতীয় অধ্যায়ঃ ইনপুট ও আউটপুট (Input and output)
চতুর্থ অধ্যায়ঃ ডাটা টাইপ (Data Types)
পঞ্চম অধ্যায়ঃ চলক এবং ধ্রবক (Variable and Constant)
ষষ্ঠ অধ্যায়ঃ অপারেটর (Operator)
সপ্তম অধ্যায়ঃ কন্ট্রোল স্টেটমেন্ট (Control Statement)
অষ্টম অধ্যায়ঃ ফাংশন (Function)
নবম অধ্যায়ঃ অ্যারে এবং পয়েন্টার (Array and Pointer)
দশম অধ্যায়ঃ স্ট্রিং (String)
একাদশ অধ্যায়ঃ ফাইল – ইনপুট/আউটপুট (File – I/O)
দ্বাদশ অধ্যায়ঃ স্ট্রাকচার (Structure)

বইটি কাদের জন্য লেখাঃ
১) যারা প্রোগ্রামিং এ নতুন
২) স্কুল, কলেজ অথবা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে সি প্রোগ্রামিং শিখতে চায়
৩) স্কুল-কলেজ পর্যায়ে ইনফরমেটিক্স অলেম্পিয়াডের জন্য প্রস্তুতি নিতে চায় -তাদের জন্য।

ভূমিকাঃ
স্কুল কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা যখন আরো উৎসাহী হবে এবং ছোটোবেলা থেকেই প্রোগ্রামিং এ অনেক পারদর্শী হবে তখন এরাই বাংলাদেশকে পরিবর্তন করে দিতে পারবে এই প্রত্যাশায় আমার এই বইটি লেখার কাজ শুরু করি। বইটি স্কুল-কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীদের জন্য সহজ এবং সাবলীল ভাবে উপস্থাপনের চেষ্টা করেছি। বইটিতে স্কুল-কলেজের পাঠ্যের কিছু গণিত, পদার্থ বিজ্ঞানের বিষয় গুলো প্রোগ্রামিং এর সাহায্যে দেখানো হয়েছে। বইটি ছোট আকারে রাখার চেষ্টা করেছি যাতে বইটি পড়ে একঘেয়েমি না আসে। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে বিভিন্ন প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতায় ভালো করার জন্য এবং পাঠ্যসূচির প্রোগ্রামিং বিষয়টি সহজে আয়ত্ত করার জন্য প্রতিটি অধ্যায়ে যুক্ত করা হয়েছে অসংখ্য উদাহরণ এবং তার ব্যাখ্যা। আশাকরি বইটি স্কুল-কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের সি প্রোগ্রামিং এর মৌলিক ধারণা দিতে পারবে।

“সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং”
– আরিফুজ্জামান ফয়সাল
– ৪র্থ বর্ষ, তড়িৎ কৌশল বিভাগ, বুয়েট।
—————#————-

বইটির মূল্য ২০০ টাকা মাত্র

—————#————-

# প্রাপ্তিস্থানঃ-
অন্বেষা প্রকাশ
বাংলা বাজার, ঢাকা

# প্রাপ্তিস্থানঃ-
ঢাকা নীল ক্ষেতের হক লাইব্রেরী
হক লাইব্রেরীতে বই এর মূল্য ২০০ টাকার পরিবর্তে ১৫০ টাকা মাত্র
ফোন নম্বরঃ- ০১৭৩৫৭৪২৯০৮


বইটির ফেসবুক পেজঃ-
(https://www.facebook.com/SohojeShikhiCProgramming)
—————#————-
#‎ঢাকার_বাইরে‬
রকমারি.কম লিংক : www.rokomari.com/book/94203
এখানে একটি একাউন্ট খুলে, অনলাইনে অর্ডার দিলে বাসায় পৌছে দেবে ওরা। যদি একাউন্ট খুলে অর্ডার দিতে সমস্যা হয় তা হলে সরাসরি Phone: 16297, 01519521971 এ কল দিলেই হবে ।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) – Mesh Analysis

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩)

আজ তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) এ আমরা দেখবো Mesh Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

Mesh Analysis

The Mesh Current Method, also known as the Loop Current Method, is quite similar to the Branch Current method in that it uses simultaneous equations, Kirchhoff’s Voltage Law, and Ohm’s Law to determine unknown currents in a network.

আমরা Kirchhoff’s Current law এবংKirchhoff’s Voltage law ব্যবহার করে যখন তড়িৎ সার্কিট সমাধান করেছিলাম তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১) এ তখন সার্কিট এর প্রত্যেক উপাদান ( যেমনঃ রোধ, তড়িৎ কোষ ইত্যাদি ) এর মাঝে বিভব ( IR ) নিয়ে আমরা সমাধান করেছিলাম । ম্যাস এনালাইসিস ( Mesh Analysis ) এ প্রতিটি ম্যাসের মাঝের কারেন্ট এবং রোধ নেয়া হয়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) – Mesh Analysis

ম্যাস এনালাইসিস
ম্যাস এনালাইসিস

এখানে দুইটি ম্যাস আছে abefa এবং bcdeb । এখন মনে করি, ম্যাস-১ এর কারেন্ট I1 এবং  ম্যাস-১ এর কারেন্ট I2

ম্যাস-১ হতে পাইঃ-

i1R1 + i2 R3 – V1 = 0   ————– (i)

ম্যাস-২ হতে পাইঃ-

i2R2 + V2 + i2 R3 = 0  —————- (ii)

[ বিঃদ্রঃ ম্যাস এর লুপ যে কোন দিক থেকেই নেয়া যাবে, লুপ যদি ভোল্টেজ সোর্স এর ঋনাত্নক প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করে তাহলে ভোল্টেজ সোর্স এর আগে ঋনাত্নক চিহ্ন দিতে হবে। ]

এখন (i) এবং (ii) নং সমীকরণ সমাধান করে iএবং iএর মান নির্নয় করতে পারবে। তাহলে উপরের তড়িৎ সার্কিটে

i1=I1

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২) এ আমরা দেখবো Short Circuit & Open Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী কিভাবে সমাধান করতে হয়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) এ আমরা দেখবো Mesh Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৪) এ আমরা দেখবো Nodal Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

তুল্য রোধ – প্রথম পাঠ

তুল্য রোধ – প্রথম পাঠ

স্কুল আর কলেজ ফিজিক্সের অন্যতম অংশ চল তড়িৎ এর অধ্যায় গুলো। আর তার মধ্যে সম্ভবত রোধের সমবায় থেকে তুল্য রোধ নির্ণয়ের অংক আরেক চিমটি বেশি অন্যতম 😛

ব্যাক্তিগত অভিজ্ঞতা থেকে বলব যে শুরুর দিকে,  মানে ক্লাস ১০ এ যখন প্রথম  ( ১০ এই তো?  নাকি ৯ এ :-/ )   এইসব অংক  দেখি তখন যথেষ্ট মাত্রায় ঝামেলা লাগত এই গুলা। তারপর কলেজে উঠে আস্তে আস্তে তালবেতালের সার্কিট দেখতে দেখতে    এগুলা মোটামুটি হাতে চলে আসে। তারপরও এখনও  অনেক ” শৈল্পিক সার্কিট ” দেখলে মাথায় হাত দিয়ে বসে যেতে  ইচ্ছে করে -_-

শ্রেণি / সমান্তরালের সংজ্ঞা তো সবাই জানি,  পাঠ্যবইয়ে আছে। সেখানে রোধের ২ প্রান্তকে রেফারেন্স ধরে এই ২ বিন্যাস এর সংজ্ঞা দেয়া হয়। আর এই প্রান্ত গুলোকে বিবেচনায় নিয়েই আমরা তুল্য রোধ বের করার কাজটা করি। মোটামুটি সহজই একটা কথা। তাহলে ঝামেলা লাগে কেন?  সম্ভবত অপ্রতুল উদাহরণ আর বই গুলোতে ধুমধাম ব্যাখা ছাড়াই অংক করে দেয়া একটা কারণ। তাই এইখানে আমাদের এপ্রোচ হবে অনেক রকমের সমবায় দেখা আর সেগুলা কি সমবায়, কেন এই রকম সমবায়,  কিভাবে সমাধান করা যায় সেইটার উপর চোখ রেখে আগানো।

শ্রেণি সমবায় : কয়েকটা রোধ,  সিমপ্লি তারা একটার  পর আরেকটা  লাগানো।

সমান্তরাল সমবায় : কয়েকটা রোধ, তাদের সবার একদিকের প্রান্ত গুলা একসাথে লাগানো, অন্য  প্রান্তটা অন্যদিকে একসাথে লাগানো।

 

IMG_20140827_225655                     IMG_20140827_225803

 

কিছু সারাংশ জাতীয় কথা বলি।

১। তুল্য রোধ বসানোর সময় আগে ও পরের ভোল্টেজ আর কারেন্ট এর মান যেন একই থাকে সেটা ঠিক রাখা হয়।

২। শ্রেণি সংযোগে রোধ গুলোর মধ্য দিয়ে কারেন্টের মান একই থাকে,  বিভবের মান ভিন্ন হয় ।

শ্রেণি সংযোগে  রোধ গুলোতে বিভবের মান ভিন্ন হয় এর অর্থ হচ্ছে যে এই রোধ গুলোর মধ্য দিয়ে কারেন্ট পাস করার জন্য পৃথকভাবে কিছু কাজ করতে হচ্ছে ।  এই কাজের সমান ভোল্টেজ ড্রপ হচ্ছে প্রতি রোধে।  তাই ব্যাটারি থেকে শুরু করে সার্কিটে চলার পথে যত রোধ পড়বে,  সব গুলোতে  কিছু পরিমাণে বিভব কমতে থাকবে ,  তাই রোধ গুলোর ২ প্রান্তে বিভবের মানও ভিন্ন হবে।

এ কারণেই কিন্তু সার্কিটের যেকোন ২ প্রান্তের মাঝে যত গুলো রোধ থাকে তাদের  individual বিভবের মান যোগ করলেই সার্কিটে মোট  বিভবের মান পাওয়া যায় ।

এই পয়েন্টে কি লিখলাম কিছু কি বোঝা গেল?

:-/   না হইলে আবার পড়  ,   শ্রেণিতে থাকা রোধ গুলোর বিভব হিসেব করার জন্য সবসময় লম্বা চওড়া ক্যাল্কুলেশন লাগে না। ৩ নাম্বার পয়েন্ট টা মাথায় থাকলেই মুখে মুখে কিছু কাজ করে ফেলা যায়।

আর এখন খানিকটা অস্পষ্ট লাগলেও ক্ষতি নাই, অংক দেখার সময় বুঝে নিও।

৩। শ্রেণিতে তুল্য রোধের মান আদি সমবায়ের সবচেয়ে বড় রোধের চেয়েও বড় হয়।

৪। সমান্তরাল সমবায়ে বিভবের মান একই থাকে প্রত্যেক রোধ এ। অর্থ কি দাড়াল?  সমান্তরাল থাকা রোধ গুলোর এক প্রান্তে এসে দাড়াল কারেন্ট।  তারপর প্রত্যেকটা ব্রাঞ্চেই  কারেন্ট পাস করার জন্য সমান কাজ করতে হবে ব্যাটারিকে, এই কাজটাই বিভবের মান।

৫। সমান্তরালে যদি বিভবের মান সমানই থাকে, তাহলে ওহমের সূত্র অনুসারে বলতে পারি যে রোধের মধ্য দিয়ে যে কারেন্ট যাবে তা রোধের ব্যাস্তানুপাতিক হবে।

কিংবা যদি ওহমের সূত্রে মনে নাও থাকে ( যদিও এমনটা হওয়ার কথা না) ,  তাহলে ভেবে দেখো একটু। রোধ মানে তো বাধা,  কারেন্টের গতির বিরুদ্ধে বাধা। এবার তুমি যদি বল যে রোধ এর  মান যতই থাকুক,  কারেন্ট পাঠানোর  জন্য তুমি একটা নির্দিষ্ট মানের চেয়ে বেশি কাজ করতে পারবা না।    তাহলে যেখানে রোধ বেশি সে রাস্তায় কারেন্টের মানও কম থাকবে,  তাই না ?  ( যেহেতু বেশি বাধাকে ব্যালান্স করার জন্য তুমি বেশি কাজ করতে পারছো না,  সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই চার্জের ফ্লো টাই কমে যাবে,  অর্থাৎ কারেন্টের মান কমে যাবে)।

তাহলে সমান্তরালে কেন আলাদা রোধে কারেন্টের মান আলাদা হয় সেটা সম্পর্কে  একটু আইডিয়া পাওয়া গেল।

৬। সমান্তরাল সমবায়ের তুল্য রোধের মান সমবায়ের সবচেয়ে ছোট রোধের চেয়েও ছোট হবে ।

৭। আরেকটা ব্যাপার হচ্ছে যে ধর তুমি একটা সার্কিট দেখলা নিচের মত   ,  যেখানে A আর B রোধ এর এক প্রান্ত যুক্ত,  আর অপর প্রান্ত একটু দূরে অবস্থিত । তাহলে অপর প্রান্ত গুলো কি  আলাদা  প্রান্ত ?

 

IMG_20140827_225606

 

মাথায় রাখো,  ছবির 1 আর 2 এই পয়েন্ট গুলার মধ্যে নতুন কোন উপাদান যেমন রোধ  নাই ,  তাই এই ২ টা প্রান্ত আসলে একই প্রান্ত।  তাহলে আমরা সার্কিটটা এভাবেও এঁকে নিতে পারি —

IMG_20140827_225626

 

এই ব্যাপারটাকে,  মানে সার্কিটের এই ১ আর ২ বিন্দু ২টাকে যে নতুন করে আমাদের সুবিধা মত এঁকে নিলাম এটাকে চাইলে circuit redrawing বলতে পারো। তাহলে একটা সার্কিট দেখে আগে আমরা এটার পয়েন্ট গুলাকে এভাবে আলাদা করে পুরো সার্কিটটা আবার এঁকে নিতে পারি,  এটা আমাদের রোধে সমবায় নির্ধারণ করতে সাহায্য করবে।

 

তুল্য রোধ – প্রথম পাঠ

তুল্য রোধ – ২য় পাঠ

তুল্য রোধ – ২য় পাঠ

আচ্ছা,  শুরুতে স্কুলে পড়তে আমার কিছু ভুল ধারণা ছিল সিরিজ প্যারালাল কম্বিনেশন নিয়ে,   সেগুলা একটু দেখি।

১। সমান্তরাল বা প্যারালাল কানেকশন মানে বুঝি রোধ গুলা আক্ষরিক অর্থেই একটার সাথে আরেকটা সবসময়ই সমান্তরাল ভাবে আঁকা থাকবে  ,  ছবির মত।

 

IMG_20140827_225814

এইরকম চিন্তার পেছনে দায়ী ছিল ৯-১০ এর বইয়ে থাকা সার্কিট গুলার ছবি। কেন জানি না সব গুলা সমান্তরালে থাকা রোধই আঁকা হত প্যারালাল কিছু লাইন বরাবর আর আমি ধরে নিতাম প্যারালাল লাইনে থাকলেই বুঝি প্যারালাল কম্বিনেশন হয়। নতুন এডিশনের একটা বই কিনলাম কিছু দিন আগে,  এর মধ্যেও সেই আগের মতই সমান্তরাল করে আঁকা রোধ গুলো।

সুতরাং আমার সেই কন্সেপ্টটা ভুল ছিল।

কত গুলা রোধ সমান্তরালে আছে কিনা সেটা বুঝার একমাত্র রাস্তা হচ্ছে যে রোধ গুলার কোন সাধারণ প্রান্ত আছে কিনা সেটা চেক করা।

যেমন নিচের সার্কিটটা। এইখানে রোধ গুলা একটার সাথে আরেকটা কোণ করে আছে ,  আর তাদের অপর প্রান্ত একটা বৃত্তাকার বর্তনীর অংশ হিসেবে আছে। এভাবে দেখে কি বুঝতে পারছো যে এই রোধ গুলা সব সমান্তরালে আছে ?

IMG_20140827_225446

দেখো,  এই ৪টার এক প্রান্ত হচ্ছে বৃত্তের কেন্দ্রে।  আর অন্য প্রান্ত গুলা পরিধির উপরে আছে। কিন্তু দেখ,  পরিধির উপর থাকা প্রান্ত গুলার মধ্যে কিন্তু অন্য কিছু নাই ,  তাই এই প্রান্ত গুলাও আসলে একই প্রান্ত। এবার এই সার্কিটটা দেখো,

IMG_20140827_230326

এরা যে সমান্তরালে আছে   ,  বুঝতে পারছো?

স্কুলের পরীক্ষায় এত হাবিজাবি জিনিস  আসবে না ,  এগুলা শুধু সমান্তরাল এর কন্সেপ্ট সম্পর্কে আইডিয়া নেয়ার জন্য দেখছি।

এইবার এইটা দেখো,

IMG_20140827_230523

এইখানে বাম দিকের গুলো সিরিজ আর মাঝে প্যারালাল।

এইবার এইগুলা দেখো, এইখানের রোধ গুলা কি রকম সমবায়ে আছে চিন্তা করে দেখো।

12

 

শর্ট সার্কিট :

11

 

শর্ট সার্কিট মানে সহজ কথায় সার্কিটের মধ্যে এমন ২টা বিন্দু যাদের মধ্যে কোন সার্কিট এলিমেন্ট মানে রোধ / কোষ / লোড নাই। মানে সিম্পলি,  ২টা পয়েন্ট সরাসরি যুক্ত থাকলে শর্ট সার্কিট।

এইটা নিয়ে যা হইতে পারে তা হচ্ছে  যে প্রশ্নে হয়ত খুব হিজিবিজি কিছু রোধ এর কম্বিনেশন দিল,  কিন্তু কোন এক জায়গায় একটা শর্ট সার্কিট দিয়ে দেয়া আছে। সেইটা আমলে নিলে পুরা সার্কিটের এর হাবিজাবি অনেক গুলা রোধ দেখব যে কাজেই লাগছে না !

13

এইখানে A আর B পয়েন্ট এর মধ্যে ৩টা রোধ আছে। কিন্তু দেখো,  এই ২টা পয়েন্টকে আবার একটা সরাসরি লাইন দিয়ে কানেক্ট করা আছে। মানে শর্ট সার্কিট!  দেখো,  যদি A থেকে B তে যাওয়ার জন্য ঝামেলা মুক্ত – as in রোধ মুক্ত – পথ থাকে তাহলে কারেন্ট কিন্তু সেই পথেই চলে যাবে।  তার মানে A আর B বিন্দুর মধ্যে তুল্য রোধ শুন্য।

এই সার্কিটে তাইলে কি হবে?

14

এইবার এইগুলা করে ফেলতে পারবা না ? A আর B প্রান্তের মধ্যে তুল্য রোধ বের করতে হবে ।

IMG_0497                IMG_0495

 

পারা যাবে মনে হয়।

আচ্ছা , এবার শ্রেণি আর সমান্তরাল সমবায় একসাথে করতে চাইলে কেমন হতে পারে দেখি। এই অংকটা জাহিদুর রহমান স্যারের বই থেকে নেয়া , কলেজের পদার্থবিজ্ঞান ২য় পত্র বই।৩টা রোধ , সবার মান ১ ওহম করে। তাদেরকে কিভাবে সংযুক্ত করলে তুল্য রোধ হবে ২/৩ রোধ ?

৩ টা রোধ , ১ ওহম করে মান। সবাইকে যদি সমান্তরালে যুক্ত করি তাহলে তুল্য রোধ হবে ১/৩ ওহম , তাইনা ? আবার যদি সবাইকে শ্রেণিতে লাগাই তাহলে হবে ৩ ওহম।  কিন্তু কিভাবে লাগালে তুল্য ২/৩ ওহম হতে পারে ?

 

তুল্য রোধ – ২য় পাঠ

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২)

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২)

Short Circuit & Open Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করাঃ

Short Circuit:  সর্ট সার্কিট হচ্ছে খুবই নিম্ন রোধ বিশিষ্ট ( রোধ প্রায় শুন্যের কাছাকাছি ) বৈদ্যুতিক তার। কোন তড়িৎ বর্তনীর কোন অংশের দুই প্রান্তে সর্ট সার্কিট থাকলে ঐ দুই প্রান্তের মধ্যবর্তী বিভব পার্থক্য শূন্য হবে।

Open Circuit: ওপেন সার্কিট হচ্ছে কোন তড়িৎ বর্তনীর দুইটি অসংযুক্ত প্রান্ত। ওপেন সার্কিটে বিদ্যুৎ প্রবাহ শূন্য।

Short Circuit & Open Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা
Short Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা

উপরের সার্কিট টি লক্ষ করো, আমাদের R1 এবং R2 এর মধ্য দিয়ে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে তা বের করতে হবে।

যেহেতু R2 এর দুই প্রান্তে একটি সর্ট সার্কিট যুক্ত তাই বিদ্যুৎ R2 এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহিত না হয়ে সর্ট সার্কিট এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হবে। অর্থাৎ  R2 এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ শূন্য। তাই আমরা সার্কিট টিকে নিম্ন রূপে আঁকতে পারি।

Short Circuit & Open Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা
Short Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা

এখন সার্কিট কার্শফের ভোল্টেজ সূত্র প্রয়োগ করে সমাধান করতে পারি, এই জন্য নিচের চিত্রের মত একটি লুপ নেই।

Short Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা
Short Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী সমাধান করা

[ লুপ এর দিক যদি কোন রোধ এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের দিকের সাথে মিলে যায় তাহলে ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহ রোধ ধনাত্মক হবে অন্যথায় ঋণাত্মক হবে। আর তড়িৎ কোষের ক্ষেত্রে লুপের দিক তড়িৎ কোষের এর যেই প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করবে ঐ প্রান্তের চিহ্ন তড়িৎ কোষের মানের পূর্বে বসবে। ]

এই লুপে কার্শফের ভোল্টেজ সূত্র প্রয়োগ করে পাই।
I
 R1 – E = 0
বা, 5000 I – 18 = 0
বা, I = 0.0036 Amp

সুতরাং R1 এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ 0.0036 Amp এবং R2 এর মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বিদ্যুৎ শূন্য।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) এ আমরা দেখবো Mesh Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৪) এ আমরা দেখবো Nodal Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২)

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২)

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)

আজ আমরা ইলেকট্রিক্যাল বর্তনী(সার্কিট) সমাধান করার জন্য Kirchhoff’s Current law এবং Kirchhoff’s Voltage law ব্যাবহার করবো।
Kirchhoff’s Current law: তড়িৎ বর্তনীর কোন সংযোগ বিন্দুতে তড়িৎ প্রবাহ গুলোর মিলিত প্রবাহ শূন্য হবে।
Kirchhoff’s Voltage law: কোন বদ্ধ তড়িৎ বর্তনীর প্রতিটি রোধ এবং তাদের আনুষঙ্গিক প্রবাহ গুলোর গুণফলের সমষ্টি ঐ বদ্ধ তড়িৎ বর্তনীর মোট তড়িৎচালক শক্তির সমান হবে।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)
তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)

উপরের সার্কিট টি লক্ষ করো, আমাদের R1 এবং R2 এর মধ্য দিয়ে কি পরিমাণ বিদ্যুৎ কোন দিকে প্রবাহিত হচ্ছে তা বের করতে হবে।

যেহেতু এই বর্তনী(সার্কিট) এ আমাদের অজানা রাশি দুইটি R1 এবং R2 তাই আমাদের কমপক্ষে দুইটি সমীকরণ দরকার।
আমরা এই বর্তনী(সার্কিট) এর মাঝে দুইটি লুপ এ Kirchhoff’s Voltage law ব্যবহার করলেই দুইটি সমীকরণ পাবো।

আগেই বলে নেই, কোন বর্তনী(সার্কিট) এ বিদ্যুৎ(কারেন্ট) এর দিক পুরো বর্তনী(সার্কিট) সমাধান করার আগে নির্নয় করা সর্বদা সম্ভব হয় না, তাই আমরা যেকোন একদিকে বিদ্যুৎ(কারেন্ট) এর দিক দিয়ে দেবো, বর্তনী(সার্কিট) সমাধান করার পর যদি ঐ বিদ্যুৎ(কারেন্ট) এর মান ধনাত্মক হয় তাহলে আমরা প্রথমে বিদ্যুৎ(কারেন্ট)এর যেই দিক ধরে নিয়েছিলাম তা ঠিক আছে, আর বিদ্যুৎ(কারেন্ট)মান যদি ঋণাত্মক হয় তাহলে বিদ্যুৎ(কারেন্ট) এর মান ঠিক থাকবে কিন্তু বিদ্যুৎ(কারেন্ট)এর দিক আমরা প্রথমে যেই দিক ধরেছিলাম তার বিপরীত দিকে হবে।

তো আমরা বিদ্যুৎ(কারেন্ট) এর একটা দিক ধরে নিলাম, নিচের চিত্রে দেখানো হয়েছে।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)
তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)

এখন দুইটি লুপ নির্ধারন করতে হবে। ঘড়ির কাটার দিকে বা ঘড়ির কাটার বিপরীত দিকে লুপ নেয়া যাবে। নিচের চিত্রে আমরা লুপ নির্ধারণ করেছি।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)
তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০১)

 

এখন প্রথম লুপে কার্শফের ভোল্টেজ সূত্র প্রয়োগ করে পাই।
I2R2 – V2 – I1R1 = 0
বা, 100I2 – 10 – 100I1 = 0 —————————-(i)

[ লুপ এর দিক যদি কোন রোধ এর মধ্য দিয়ে বিদ্যুৎ প্রবাহের দিকের সাথে মিলে যায় তাহলে ঐ বিদ্যুৎ প্রবাহ রোধ ধনাত্মক হবে অন্যথায় ঋণাত্মক হবে। আর তড়িৎ কোষের ক্ষেত্রে লুপের দিক তড়িৎ কোষের এর যেই প্রান্ত দিয়ে প্রবেশ করবে ঐ প্রান্তের চিহ্ন তড়িৎ কোষের মানের পূর্বে বসবে। ]

দ্বিতীয় লুপে কার্শফের ভোল্টেজ সূত্র প্রয়োগ করে পাই।
I1R1 – V1 = 0
বা, 100I1 – 10 = 0
বা, 100I1 = 0.1 Amp
(i) নং সমীকরণে I1 = 0.1 বসিয়ে পাই,
100I2 – 10 – 100 × 0.1 = 0
বা, 100I2 = 0.2 Amp
Kirchhoff’s Current law অনুযায়ী
I = I1 + I2 = 0.1 + 0.2 = 0.3 Amp

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০২) এ আমরা দেখবো Short Circuit & Open Circuit এর জন্য তড়িৎ বর্তনী কিভাবে সমাধান করতে হয়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৩) এ আমরা দেখবো Mesh Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

তড়িৎ বর্তনী সমাধান (পর্ব-০৪) এ আমরা দেখবো Nodal Analysis এর মাধ্যমে তড়িৎ বর্তনী কিভাবে আরো সহজে সমাধান করা যায়।

লজিক গেট (প্রথম পাঠ)

লজিক গেট (প্রথম পাঠ)
Basic Logic gate:

প্রথমেই আমরা আজ এন্ড(AND), অর(OR) এবং নট(NOT) লজিক গেট নিয়ে আলোচলা করবো। তো চলো দেখি এন্ড গেট।

l1

এখানে x1 এবং x2 দুইটি সুইচ। সুইচ দুইটি একত্রে বন্ধ থাকলে কেবল লাইট জ্বলবে। দুইটি লাইটের যে কোনো একটি খোলা থাকলে লাইট জ্বলবে না। নিচে এন্ড(AND) গেটের সার্কিট রিপেজেন্টেশন দেয়া হলো।

and

মনে করি, দুইটি ভেরিয়েবল x, y যাদের মাঝে এন্ড লজিক এপ্লাই করলে আমরা নিচের Truth Table (সত্য সারণী) লক্ষ্য পাবো। অর্থাৎ x এবং y উভয়ের মান 1 হলে আউটপুট-এ 1 পাবো, অন্যথায় ফলাফল শূন্য হবে।

x y x.y
0 0 0
0 1 0
1 0 0
1 1 1

এখানে x1 এবং x2 দুইটি সুইচ। দুইটি সুইচের যেকোনো একটি বন্ধ থাকলে লাইট জ্বলবে। দুইটি লাইট খোলা থাকলে লাইট জ্বলবে না। নিচে এন্ড(OR) গেটের সার্কিট রিপেজেন্টেশন দেয়া হলো।

l3

মনে করি, দুইটি ভেরিয়েবল x, y যাদের মাঝে অর লজিক এপ্লাই করলে আমরা নিচের Truth Table (সত্য সারণী) লক্ষ্য পাবো। অর্থাৎ x এবং y যেকোনো একটির মান 1 হলে আউটপুট-এ 1 পাবো।

or

x y x+y
0 0 0
0 1 1
1 0 1
1 1 1