এইচ টি এম এল কি ? – এইচ টি এম এল কোড লেখা

এইচ টি এম এল কি ? – এইচ টি এম এল কোড লেখা

আলোচ্য সূচি –

  • এইচ টি এম এল কি ? ( HTML কি? )
  • HTML শেখার প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতি গুলো জানা।
  • Notepad++ (নোটপ্যাড ++) ডাউনলোড করবো কিভাবে।
  • এইচ টি এম এল কোড লিখবো কিভাবে ? এবং আউটপুট পর্যবেক্ষণ।

এইচ টি এম এল কি ? ( HTML কি? )

এইচ টি এম এল কি – এইচ টি এম এল ( HTML ) একটা Mark Up কম্পিউটার ল্যাঙ্গুয়েজ। এইচ টি এম এল কোড এর মাধ্যমের আমরা পৃথিবীর বিশাল তথ্য-ভান্ডার, ছবি, ভিডিও ইত্যাদি ইন্টারনেটের মাধ্যমে মানুষের সামনে মুহূর্তেই প্রদর্শন করতে পারি। HTML কোন প্রোগ্রামিং ল্যাঙ্গুয়েজ নয়, একে Hyper Text Mark Up Language বলা হয়। এইচ টি এম এল কি ? একটা ওয়েব পেজের বিভিন্ন অংশ ব্রাউজারের মাধ্যমে কিভাবে প্রদর্শিত হবে, তা এইচ টি এম এল ( HTML 5 ) এ Mark Up ট্যাগ সমূহ ব্যবহার করে প্রকাশ করা হয় । HTML কোড হচ্ছে কত গুলো Mark Up ট্যাগ এর সমষ্টি।

সবার আগে HTML শেখা-

ওয়েব ডিজাইনিং শেখার জন্য সবার আগে HTML শেখা জরুরি। কেননা ওয়েবপেজ গুলো HTML দিয়ে লেখা হয়। সাথে অন্যান্য কিছু থাকে যেমনঃ CSS, Java Sctipt, PHP ইত্যাদি। আবারও বলে দিচ্ছি ওয়েব ডিজাইনিং করতে সবার আগে HTML তারপর অন্যকিছু শিখবে।

HTML শেখার যন্ত্রপাতি-

HTML কোড লেখার জন্য কিছু যন্ত্রপাতি লাগবে তা একটু দেখে নাও –

১) একটি কম্পিউটার

২) HTML কোড লেখার জন্য একটি Notepad বা Notepad++(আমি নোটপেড++ বেশি prefer করি।)

৩) তোমার লেখা কোড ব্রাইজারে পরীক্ষা করার জন্য একটি ব্রাউজার। যেমনঃ Google Crome, Mozilla Firefox, Opera, Internet Explorer ইত্যাদি।

Notepad++ (নোটপ্যাড ++) ডাউনলোড করো-

Notepad++(নোটপ্যা++) www.notepad-plus-plus.org ওয়েব সাইটে গিয়ে 6-8MB Notepad++(নোটপ্যাড++) এর .exe ফাইলটি ডাউনলোড করে install করে নাও। যদি ডাইনলোড করতে না পারো তবে তোমার কম্পিউটার এ ডিফল্ট Notepad দেয়া থাকে তাতেও HTML কোড লেখা যাবে।
Notepad++ (নোটপ্যাড++) এ HTML কোড লেখাঃ

Notepad++(নোটপ্যাড++) install করা হয়ে গেলে Notepad++(নোটপ্যাড++) ওপেন করে কোড লেখা শুরু করে দাও। তার জন্য নিচের ধাপ গুলো অনুসরণ কর।

HTML কোড

১) প্রথম একটি নতুন ফাইল খুলে তা যেকোনো নাম দিয়ে save কর, তবে অবশ্যই নামের শেষে .html দিয়ে হবে। (উদাহরণঃ index.html)

প্রথম ধাপঃ তোমার নোটপ্যাড ওপেন কর।

দ্বিতীয় ধাপঃ একটি নতুন ফাইল খুলো। File > New (শর্টকাটঃ ctrl + N )

তৃতীয় ধাপঃ যদি ওয়েব পেজে বাংলা লিখতে চাইলে অবশ্যই নিচের ছবির মত Encode in UTF-8 সিলেক্ট করে সেভ করবে।

চতুর্থ ধাপঃ এবার ফাইলটি সংরক্ষণ করো। প্রথমে File এ ক্লিক করে Save as এ ক্লিক করো, একটি নতুন Window আসবে। তুমি যেখানে তোমার এইচটিএমএল সংরক্ষণ করতে চাও সেই ড্রাইভারে সংরক্ষণ করতে পারবে। File name এর জায়গায় তোমার ইচ্ছা মতো নাম দিতে পারবে শুধু নামের শেষে .html দিতে হবে।

২) এবার নিচের কোডটুকু এই ফাইলের মাঝে লিখে আবার save কর। ভয় পাওয়ার কিচ্ছু নেই, আপাদত তোমাকে কোড বুঝতে হবে না শুধু দেখে দেখে টাইপ কর, পরের অধ্যায়ে এই কোড এর ব্যাখ্যা দেয়া আছে।

<!DOCTYPE html>
<html>

<head>
<title>This Is Title</title>
</head>

<body>

<h1>My First Heading.</h1>
<p>My first paragraph.</p>

</body>
</html>

৩) এখন যেখানে সেভ করেছো সেখানে গিয়ে ফাইলটি একটি ব্রাউজারে open করো, নিচের মতো তোমার ব্রাউজারে আউটপুট দেখতে পাবে।

মেশিন লার্নিং

মেশিন লার্নিং

মেশিন লার্নিং হচ্ছে এমন এক বিজ্ঞান, যেখানে কম্পিউটারকে নিজ থেকে আচরন করতে পারে এবং এই স্বয়ংক্রিয় আচরণের জন্য কম্পিউটারকে কোন স্পষ্টভাবে বর্ণিত প্রোগ্রাম করে দেয়া লাগে না।

মেশিন লার্নিং এবং বর্তমান বিশ্ব

আমরা ইতোমধ্যে পূর্বের দশকে দেখেছি, মেশিন লার্নিং আমাদের দিয়েছে স্বয়ংক্রিয় এবং নিজ থেকে চলমান গাড়ি (self-driving cars), কন্ঠ উদঘাটন করা (practical speech recognition), ওয়েব সার্চ ইত্যাদি। মেশিন লার্নিং-এখন এতোই ব্যপ্তিশীল যে, আমাদের প্রতিনিয়ত কাজে শত শত মেশিন লার্নিং-কোড জড়িত। অনেক বিজ্ঞানী মনে করেন, মেশিন লার্নিং হচ্ছে সবচেয়ে নির্ভরশীল মাধ্যম যা দিয়ে মানুষের সমকক্ষ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স তৈরি করা সক্ষম। যেমন আমরা কিছুদিন আগেই আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স সম্পন্ন রোবট সোফিয়া কে নিয়ে মেতেছিলাম। যা এই মেশিন লার্নিং-এরই অবদানের একটি অংশ মাত্র।

মেশিন লার্নিং শুরু করার আগে কয়েকটি কেতাবি সংজ্ঞা দেখা যাক। এই ব্যাপারে Arthur Samuel বলেন, Field of study that gives computers the ability to learn without being explicitely programmed. অর্থাৎ কিনা, কম্পিউটারের যদি এমন কোন অলৌকিক ক্ষমতা থাকে যার জন্য সে যেকোন কিছু আগে থেকে ঐ বিষয়ক প্রোগ্রাম লেখা ছাড়াই শিখতে পারে।

ধরা যাক, একটা বাইপেডাল (হিউম্যানয়েড বা দুই পা ওয়ালা) রোবট যদি নিজে নিজে হাঁটা শিখতে পারে কোন নির্দিষ্ট হাঁটার প্রোগ্রাম ছাড়াই তবে বলা যাবে রোবটে লার্নিং অ্যালগরিদম ব্যবহার করা হয়েছে। আমরা একটা বাইপেডাল রোবটের হাঁটার জন্য সহজেই প্রোগ্রাম লিখে দিতে পারি। কিন্তু সেই হাঁটাকে ইন্টেলিজেন্ট বলা যাবে না কোনভাবেই, একটা এমবেডেড সিস্টেম যে জন্য প্রোগ্রাম করা হয় সে যদি শুধু ঐ নির্দিষ্ট কাজটাই করে তাহলে সেটা ইন্টেলিজেন্ট কীভাবে? পরিবর্তনের সাথে যদি ডিভাইসের আচরণ পরিবর্তিত হয় তাহলেই তাকে ইন্টেলিজেন্ট বলা যেতে পারে।

কোর্সটি সম্পূর্ণ নয়। এপ্রিলে মেশিন লার্নিং-এর পুরো টিউটোরিয়াল পাওয়া যাবে। মেশিন লার্নিং-কোড লেখার জন্য আমরা এই কোর্সে পাইথন ব্যবহার করবো। তাই পাইথন প্রোগ্রামিং না জানা থাকলে এখান থেকে শিখে নাও জলদি।

পাইথন প্রোগ্রামিং – সূচিপত্র ( টিউটোরিয়াল সমূহ ) –


সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং )

সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং )
সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং )

সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং ) হচ্ছে একটি অবজেক্ট ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং ভাষা। সি প্রোগ্রামিং ভাষাকে আরো সমৃদ্ধ করতে বিয়ার্নে স্ট্রোভ্‌স্ট্রুপ সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং ) ভাষা ডেভেলপ করেন ১৯৮০ সালে। উনি যুক্তরাষ্ট্রের এটিএন্ডটি বেল ল্যাবোরাটারিতে (AT&T Bell Laboratary) সি প্লাস প্লাস নিয়ে গবেষণা করেন এবং ১৯৮০ সালে চূড়ান্তভাবে প্রকাশ করেন।

সি++(সি প্লাস প্লাস) যেহেতু সি এর উপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয়েছে, সি প্রোগ্রামিং এর সকল সুবিধা সি++ এ পাওয়া যাবে। সি++ প্রোগ্রামিং ভাষা ব্যবহার করে আরো উন্নত কোডিং করা সম্ভব।

সি এর সঙ্গে সি++ এর তুলনা করলে সি++ যে সকল সুবিধা পাওয়া যায়- উদাহরণস্বরূপ

  1. সি ভাষায় তথ্য লুকানো যায় না
  2. সি লো লেভেলের ভাষা ( মাঝে মাঝে একই কোড সি দিয়ে বুঝতে এবং কোড লেখা কঠিন হয়ে যায়, যা সি++ প্রোগ্রামিং এ সহজেই উপলব্ধি করা যায়। )
  3. সি++ প্রোগ্রামিং এ ফাংশন ওভারলোডিং করা যায় যা সি প্রোগ্রামিং অনুমতি দেয় না
  4. সি++ প্রোগ্রামিং এ কমপ্লেক্স ডাটা টাইপ ( complex data type ) বিদ্যমান।

 

সি প্লাস প্লাস প্রোগ্রামিং ( সি++ প্রোগ্রামিং ) –  সূচিপত্র –

সি প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” – এর ইবুক (পিডিএফ) পেতে ক্লিক করুন। বিকাশের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে সংগ্রহ করে নিন এই বইটি।

[সি++ প্রোগ্রামিং

Tutorial on C++(C Plus Plus) Programming in Bangla]

পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা

পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা

পাইথন প্রোগ্রামিং ভষা

পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা (Python Programming) একটি object-oriented উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। ১৯৯১ সালে গুইডো ভ্যান রোসাম এটি প্রথম প্রকাশ করেন। পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা -তে প্রোগ্রামের পঠনযোগ্যতা ও প্রোগ্রামার এর সহজবোধ্যতার উপর বেশি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

পাইথন (Python) এর ব্যবহার

  1. সাধারণত দ্রুত সফটওয়ার নির্মাণের জন্য পাইথন ব্যবহৃত হয়।
  2. ওয়েব এপ্লিকেশনে পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা এর ব্যবহার উল্লেখযোগ্য।
  3. পাইথন একটি বিস্ময়কর এবং শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা, ব্যবহার করা সহজ ( পড়তে ও লিখতে )। পাইথন প্রোগ্রামিং এবং Raspberry Pi (রাস্পবেরী পাই) যে কোন প্রজেক্টকে  বাস্তব জগতের সাথে সুন্দর ভাবে সংযোগ স্থাপন করতে পারে।
  4. বিভিন্ন বড় বড় প্রকল্পে পাইথন এর ব্যবহার উল্লেখ যোগ্য। যেমনঃ জোপ অ্যাপ্লিকেশন সার্ভার, এমনেট ডিস্ট্রিবিউটেড ফাইল স্টোর, ইউটিউব এবং মূল বিটটরেন্ট ক্লায়েন্ট ইত্যাদিতে পাইথন এর উল্লেখযোগ্য ব্যবহার রয়েছে।যে সমস্ত বড় প্রতিষ্ঠান পাইথন ব্যবহার করে তাদের মধ্যে গুগল ও নাসা উল্লেখযোগ্য।

পাইথন কেনো শিখবো ?

বর্তমানে অনেক পরিচিত উচ্চস্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা আছে যেমন সি, সি++, পি-এইচ-পি, জাভা ইত্যাদি। তাহলে নতুন করে কেনো পাইথন শেখা জরুরি ?

সবচেয়ে সহজ প্রোগ্রামিং ভাষা গুলোর মধ্যে পাইথন অন্যতম বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। খুব সহজেই পাইথন প্রোগ্রামিং ভাষা আয়ত্ত করা যায়, তাছাড়া পাইথন একটি শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা । বর্তমানে অনেক প্রফেশনাল প্রোগ্রামারগণ পাইথন ব্যবহার করে থাকেন বিভিন্ন ক্ষেত্রে। কম্পিউটার এর সফটওয়্যার থেকে শুরু করে, ওয়েব অ্যাপলিকেশন, অনলাইন গেম তৈরি, এম্বেডেড সিস্টেম এর প্রোগ্রামিং করতেও বর্তমানে পাইথন এর ব্যাবহার বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ওয়েব ডিজাইনে পাইথন প্রোগ্রামিং

যারা ওয়েব ডিজান, বিশেষত ওয়েব অ্যাপ ডেভেলপ করতেচান তাদের জন্য পাইথন অনেক উপযোগী একটি প্লাটফর্ম। পাইথন জ্যাঙ্গো (ইংরেজীঃ Django) ব্যবহার করে অনেক সহজেই ওয়েব অ্যাপ তৈরি করা যায়।

জ্যাঙ্গো - পাইথন প্রোগ্রামিং
জ্যাঙ্গো – পাইথন প্রোগ্রামিং

পাইথন ভার্শন

পাইথনের দুইটি ভার্শন এখন সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়ঃ-

  1. পাইথন 2.x
  2. পাইথন 3.x

পাইথন প্রোগ্রামিং

পাইথন প্রোগ্রামিং এ “Hello World” প্রোগ্রাম নিম্ন রূপ –

print(“Hello World!”)

পাইথন 2.x এবং পাইথন 3.x এর মাঝে কিছু পার্থক্য

পাইথন 2.x পাইথন 3.x
print() is a statement in Python 2 print() is a function in Python 3
raw_input() input()
x = input(“Enter a number: “) x = eval(input(“Enter a number: “))

 

পাইথন প্রোগ্রামিং – সূচিপত্র ( টিউটোরিয়াল সমূহ ) –


সি প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” – এর ইবুক (পিডিএফ) পেতে ক্লিক করুন। বিকাশের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে সংগ্রহ করে নিন এই বইটি। 

সি প্রোগ্রামিং ভাষা

সি প্রোগ্রামিং ভাষা

সি প্রোগ্রামিং ভাষা

সি প্রোগ্রামিং হচ্ছে বহুল ব্যবহৃত একটি উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা। সি একটি শক্তিশালী প্রোগ্রামিং ভাষা। এটি দ্রুত ও পোর্টেবল এবং সমস্ত প্ল্যাটফর্মের জন্য উপযোগী। আপনি যদি নতুন হসেবে প্রোগ্রামিং শিখতে চান, তবে আপনার জন্য সি প্রোগ্রামিং একটি ভাল পছন্দ। আমাদের এই স্কুল সই প্রোগ্রামিং ভাষা শুরু করার জন্য একটি সহজ নির্দেশিকা সবং লেকচার সমন্বিত। কেন আপনি সি প্রোগ্রামিং শিখবেন, এবং কিভাবে আপনি এটা শিখতে পারেন সবই থাকছে এই অনলাইন বইতে।

সি প্রোগ্রামিং নিয়ে আলোচনা করার পূর্বে আমরা উচ্চ স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা কি জেনে নেই।

উচ্চ স্তরের ভাষা

উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা হচ্ছে এমন একটি প্রোগ্রামিং ভাষা যা কম্পিউটার প্রোগ্রামিং আমাদের বোঝা এবং লেখার জন্য আরো বেশী সহজ করে ডিজাইন করা। এটা উচ্চ-স্তরের প্রোগ্রামিং ভাষা, কারণ এটি প্রকৃত কোড থেকে আলাদা এবং একটি কম্পিউটারের প্রসেসরের রান করে কম্পিউটারের বোধগম্য কোডে কম্পাইলার অথবা ইন্টারপ্রিটর পরিণত করে। উচ্চ-স্তরের সোর্স কোডে সহজ- সংগ্রাহক সিনট্যাক্স রয়েছে যা পরে একটি নিম্ন স্তরের ভাষা রূপান্তরিত হয়, যা একটি নির্দিষ্ট CPU দ্বারা স্বীকৃত এবং চালানো যায় ।

বেশীরভাগ প্রোগ্রামিং ভাষা, উচ্চ স্তরের ভাষা বলে মনে করা হয়। উদাহরণ –

  • সি
  • সি ++
  • সি শার্প
  • পাইথন
  • পি এইচ পি
  • জাভা
  • জাভাস্ক্রিপ্ট

এই ভাষার প্রতিটি আলাদা সিনট্যাক্স ব্যবহার করে। কিছু ডেস্কটপ সফটওয়্যার প্রোগ্রাম লেখার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে , অন্যরা ওয়েব ডেভেলপমেন্টের জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত । কিন্তু তারা সব উচ্চ পর্যায়ের বিবেচনা করা হয় যেহেতু তারা একটি কম্পাইলার বা দোভাষীর দ্বারা কোডটি কার্যকর করার আগে প্রক্রিয়া করা আবশ্যক ।

সি প্রোগ্রামিং ভাষার আবিষ্কার

সি প্রোগ্রামিং ভাষা এর নির্মাতা ডেনিস রিচি। ডেনিস রিচি বেল ল্যাবে ৭০এর দশকে সি প্রোগ্রামিং ভাষাটি তৈরি করেন। বর্তমানে পাইথন, সি++, জাভা, পার্ল সহ অনেক প্রোগ্রামিং ভাষার প্রচলিত আছে, যদিও এদের বেশির ভাগের উপর সি এর প্রভাব লক্ষ্য করা যায়। ১৯৮৯ সালে আমেরিকান মাননিয়ন্ত্রক সংস্থা  সি (আনসি সি (ANSI C)) নামে সি এর ১টি আদর্শ ভার্সন তৈরির করে যা পৃথিবীর সর্বত্র প্রচলিত আছে।

সফটওয়্যার তৈরির জন্য Java, C#, PHP, Python শিখা জরুরি। আবার ওয়েব অ্যাপ্লিকেশান তৈরির জন্য HTML, PHP, Python ইত্যাদি জানতে হয়। অ্যান্ডয়েড এ অ্যাপ্লিকেশান তৈরির জন্য Java, xml এবং আই ফোন এর অ্যাপ্লিকেশান তৈরির জন্য অব্জেক্টিভ সি জানা জরুরি। আর এসব প্রোগ্রামিং ভাষা শিখার জন্য সবার আগে সি জানা থাকলে অনেক সুবিধা।

আমরা সি (C) প্রোগ্রামিং ভাষাকে classical music এর সাথে তুলনা করতে পারি। Classical music জানলে যেমন অন্যান্য গান সহজেই আয়ত্ত করা যায়, তেমনি সি জানা থাকলে যে কোনো প্রোগ্রামিং ভাষা সহজেই শেখা যায় ।

সি প্রোগ্রামিং ভাষার ব্যবহার

সি প্রোগ্রামিং ভাষা মূলত ব্যবহার করা হয় অপারেটিং সিস্টেমে। কারন সি অনেক ফাস্ট, প্রায় এসেম্বলি ল্যাংগুয়েজে কাছাকাছি। তাই খুব দ্রুত কোর এক্সিকিউট করে। তাছাড়াও নিচে সি  এর কয়েকটি ব্যবহার আলোচনা করা হল-

  1. Operating Systems
  2. Language Compilers
  3. Text Editors
  4. Network Drivers
  5. Language Interpreters

রোবটিক্সে সি প্রোগ্রামিং

মনে করো তুমি একটি রোবট বানাতে চাও। এখন কম্পিউটার প্রোগ্রামিং জানা থাকলে তুমি সহজেই একটি রোবট কে তোমার তৈরি প্রোগ্রাম এর সাহায্যে নির্দেশনা দিতে পারবে। আমরা সাধারণত মাইক্রোকন্ট্রোলার ব্যবহার করে ভিবিন্ন রোবোটিক্স এর কাজ করি। আর মাইক্রোকন্ট্রোলার-এ যেই প্রোগ্রাম দিয়ে নির্দেশনা দেয়া হয় তাতে সি প্রোগ্রামিং ব্যবহার করা হয়।

নিচের কুইজে অংশ গ্রহণ করার পূর্বে উপরের লেকচারটি পুনরায় দেখে নাও -

Email
1.

সি প্রোগ্রামিং ভাষা এর নির্মাতা কে ?

2.

উচ্চস্তরের ভাষায় লেখা প্রোগ্রামকে কীভাবে কম্পিউটারকে বুঝিয়ে দিতে হয়?

3.

‘সি’ হচ্ছে - 

4.

যান্ত্রিক ভাষাকে কোন স্তরের ভাষা বলা হয়?

5.

কম্পিউটারের যান্ত্রিক ভাষার বর্ণগুলো কী কী?

সি প্রোগ্রামিং – সূচিপত্র ( টিউটোরিয়াল সমূহ ) –


সি প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” – এর ইবুক (পিডিএফ) পেতে ক্লিক করুন। বিকাশের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে সংগ্রহ করে নিন এই বইটি।

 

[সি টিউটোরিয়াল

Tutorial on C Programming in Bangla ]