সি প্রোগ্রামিং – অপারেটর

সি প্রোগ্রামিং – অপারেটর

সি প্রোগ্রামিং – অপারেটর – কম্পাইলারকে যেই সংকেত সমূহ গাণিতিক বা লজিক্যাল কোনো কাজ করার জন্য নির্দেশনা দেয় তাদের কম্পিউটার প্রোগ্রামিং-এ অপারেটর বলে। মনে করো z = (x+y), এখানে x, y, z হলো অপারেন্ড এবং = , + হলো অপারেটর।

সি প্রোগ্রামিং এ ব্যবহৃত অপারেটর সমূহ হলো : –

  1. ইউনারি অপারেটর (Unary Operator)
  2. বাইনারি অপারেটর (Binary Operator)

ইউনারি অপারেটর (Unary Operator)

যে সকল অপারেটর শুধুমাত্র একটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাদের ইউনারি অপারেটর বলে। যেমন: ধনাত্বক বোঝাতে যোগচিহ্ন (+), ঋনাত্বক বোঝাতে বিয়োগ চিহ্ন (-), বৃদ্ধি (++), হ্রাস (–) ইত্যাদি ইউনারি অপারেটর। যোগচিহ্ন (+) ও বিয়োগ চিহ্ন (-):
উদাহরণ: int age = +16; int num = -5; float num1 = -num2;

বৃদ্ধি (++), হ্রাস (- -):

উদাহরণ: i++ ; i- – ; count++;

i + + বোঝায় i = i + ১ এবং

i – – বোঝায় i = i – 1;

এখন বৃদ্ধি (++), হ্রাস (- -) অপারেটর ভেরিয়েবলের আগে বসলে আগে (যেমন: ++count) ওই ভেরিয়েবলের মান যথাক্রমে বাড়বে বা কমবে তারপর অন্য কাজ করবে। অনুরূপভাবে বৃদ্ধি (++), হ্রাস (–) অপারেটর ভেরিয়েবলের পরে বসলে (যেমন: count++) আগে অন্যান্য কাজ আগে করবে তারপর ওই ভেরিয়েবলের মান যথাক্রমে বাড়বে বা কমবে।

Pre Increment ( ++i ) Post Increment ( ++i )
i = 5 ;
a = ++i ;
আগে increment হবে
∴ i = 6 ;
a = 6 ;
i = 5 ;
a = i++ ;
পরে increment হবে
∴ i = 5 ;
a = 6 ;

এখন আমরা সি প্রোগ্রামিংদিয়ে দুইটি কোড দেখি, প্রথম কোডটিতে Pre Increment এবং দ্বিতীয় কোডটিতে আমরা Post Increment দেখানো হয়েছে।

উদাহরণ -১ : Pre Increment

#include <stdio.h>
int main()
{
    int count, number;
    count = 4;
    number = ++count;
    printf("%d\n", number);
    return 0;
}

Output: 5

উদাহরণ – ২ : Post Increment

#include <stdio.h>
int main()
{
    int count, number;
    count = 4;
    number = count++;
    printf("%d\n", number);
    return 0;
}

Output: 4

বাইনারি অপারেটর (Binary Operator)

১)  অ্যারিথ মেটিক অপারেটর
২) এসাইনমেন্ট অপারেটর
৩) রিলেশনাল অপারেটর
৪) লজিক্যাল অপারেটর
৫) বিটওয়াইজ অপারেটর

বি. দ্র.- যেহেতু উপরের অপারেটরগুলো দুইটি অপারেন্ড নিয়ে কাজ করে তাই এদের বাইনারি অপারেটর বলে।

১) অ্যারিথমেটিক অপারেটর
অ্যারিথমেটিক অপারেটর সম্পর্কে জানাতে হলে নিচের কোডটি তোমার কম্পাইলারে লিখে কম্পাইল ও রান করো তুমি নিজেই বুঝে যাবে।

যোগ করার জন্য + অপারেটর,
বিয়োগ করার জন্য – অপারেটর,
গুন করার জন্য * অপারেটর,
ভাগ করার জন্য / অপারেটর এবং
ভাগশেষ বের করার জন্য % অপারেটর ব্যবহার করা হয়। 

যোগ (+), বিয়োগ(-), গুণ(*), ভাগ(/) ইত্যাদি অ্যারিথমেটিক অপারেটর সম্পর্কে আগেই আমরা জানি। নতুন একটি অপারেটর মডুলাস (%) অপারেটর। মডুলাস কোনো সংখ্যাকে অপর একটি সংখ্যা দিয়ে ভাগ করলে যেই ভাগশেষ থাকে তার মান বোঝায়। যেমন 10 কে 3 দ্বারা ভাগ করলে ভাগশেষ 1 থাকে। অর্থাৎ 10 % 3 = 1

এই অপারেটরগুলো দিয়ে এমন আরো কিছু উদাহরণ দেখে নাও –

2+3*6/2 = 11 3*4%5 = 2
12/6+9 = 11 3*4/2%5 = 1
3%2 = 1 3+4%3 = 4
5%3 = 2 3*4-5 = 7

 

সি প্রোগ্রামিং – সূচিপত্র ( টিউটোরিয়াল সমূহ ) –


সি প্রোগ্রামিং শেখার বাংলা বই “সহজে শিখি সি প্রোগ্রামিং” – এর ইবুক (পিডিএফ) পেতে ক্লিক করুন। বিকাশের মাধ্যমে সর্বনিম্ন ১০০ টাকা পরিশোধ করার মাধ্যমে সংগ্রহ করে নিন এই বইটি।

407 Total Views 1 Views Today